স্বতঃ গৃহবন্দী (Self Isolation)- অত্যন্ত জরুরি

Self-isolation

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্কতা হিসাবে  স্বতঃ গৃহবন্দী (Self Isolation)-পালন করা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বের সরকারি-বেসরকারি নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েব সাইটের পরামর্শের আলোকে বাংলাদেশের পটভূমিতে করণীয় একটি তালিকা এখানে জনস্বার্থে উপস্থাপন করা হলো :

** ‘করোনা’ ধরা পড়লে:

  1. চিকিৎসকের উপদেশ মতো ব্যবস্থা নিতে হবে।
  2. ‘স্বতঃ গৃহবন্দী’ (Self Isolation)-এ একাকী যাওয়াটা জরুরি,
  3. যদি একাকী থাকা সম্ভব না হয় তবে নিজ  ঘরে থাকলেও , পরিবারের বাকি সবার সাথে নিরাপদ দূরত্ব পালন করতে হবে,
  4. মাস্ক পড়তে হবে সবাইকে , বিশেষত রুগীকে,
  5. রুম / বিছানা / বাথরুম/ টয়লেট / ব্যবহার্য (গ্লাস, প্লেট, ইত্যাদি)  আলাদা হতে  হবে –  যা অন্যরা ব্যবহার করবে না.

** এছাড়াও করোনা থাকলে তো বটেই , না থাকলেও নিচের আরো কিছু ধাপ পালন করতে হবে সবাইকে স্বতঃ গৃহবন্দী (Self Isolation)-র সময়ে:

  1. একান্ত প্রয়োজন ছাড়া  বাড়ির/ সীমানার  বাইরে যাবেন না.
  2. জন-সাধারণের জায়গা গুলো (public place) যেমন রাস্তা ঘাট, দোকান-পাট, পার্ক, বাজার, শপিং সেন্টার ইত্যাদি স্থানে  না যাওয়া,
  3. বন্ধুবান্ধব-আত্মীয় পরিজন, প্রতিবেশী -এমনকি ফকির, ডাক পিওন, , ছুটা  বুয়া  – বাইরের কাউকেই  ঘরে প্রবেশ করতে না দেয়া,
  4. সব ধরণের আড্ডা, দাওয়াত বন্ধ   – খাওয়া কিংবা খাওয়ানো দুটোই  বন্ধ !
  5. বন্ধুবান্ধব- স্বজন- সবার সাথে যোগাযোগ হবে নিয়মিত – মোবাইলে, ফোন কিংবা  ফেস বুক-এ  / চ্যাট-এ (ইন্টারনেটে) -কিন্তু সামনাসামনি নয়।  .
  6. একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র  (ওষুধ, খাবার, চিঠিপত্র ইত্যাদি) আদান প্রদান হবে ঘরের বাইরে –   সম্মুখ যোগাযোগ ছাড়া –   অর্থাৎ জিনিসটি  সীমানা/ গেইট-এর  বাইরে রেখে দূরে সরে  থাকবে  একজন  এবং আরেকজন এসে তা গ্রহণ করবে,  প্রয়োজনীয়  আলাপ মোবাইলে  সারতে হবে।
  7. বাইরে থেকে আসা চিঠি / পার্সেল / প্যাকেট / খাবার/ কেনা কাটার জিনিস ..  ইত্যাদি –  স্পর্শ করার আগে / ব্যবহারের আগে – সাবান/ জীবাণু নাশক দিয়ে সম্ভাব্য জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
  8. ঘরের ফার্নিচার, দরজার নব, চেয়ার  টেবিল, মেঝে , রিমোট, কম্পিউটার,  ইত্যাদি নিয়মিত ‘জীবাণুনাশক’ (disinfectant ) দিয়ে মুছতে হবে।
  9. ঘরের দরজা -জানাল খুলে রেখে আলো -বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে,
  10. এই সময়ে  শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক সুস্থতা দু-ই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম, বাগান করা, ঘরের কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মঠ থাকুন এবং ধর্ম চর্চা , পরিবারের সাথে সময় কাটানো,  ফোন / ফেস বুকে বন্ধু, আত্মীয় পরিজনের সাথে যোগাযোগ, টিভি-তে সিনেমা দেখা, গান শোনা , গল্পের  বই পড়া ইত্যাদির মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করুন। সারাক্ষন টিভি- রেডিও, / পত্রিকায়  – ‘করোনা’ আলোচনার উপর ব্যস্ত না থেকে মাঝে মধ্যে রিল্যাক্স করতে হবে।

Leave a Reply

RSS
Follow by Email
Facebook